রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:৪৮
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

টিএমএসএস এনজিও’র হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে সংবাদ সম্মেলন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ।। ঝালকাঠি শহরের টিএমএসএস এনজিও কর্তৃক হয়রানিমূলক মামলার পরিত্রাণে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী। সোমবার ১৯ মে দুপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ফায়ার সার্ভিস মোড়স্থ কনকচাঁপা ডিজিটাল মিডিয়ার প্রোপ্রাইটর মোস্তফা কামাল।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, “আমি একজন সামান্য আয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ঝালকাঠী ফায়ার সার্ভিস মোড়ের আব্দুল গণি মিয়ার পুত্র মো: নুর ইসলাম, টিএমএসএস এনজিও’র একটি লোন গ্রহন করেন। উক্ত লোনের বিপরীতে আমাকে দ্বিতীয় জামিনদার বানিয়ে আমার নিজ নামীয় ব্যাংকের একটি ব্লাংক চেক ও ব্লাংক ফরমে স্বাক্ষর নেয়। নুরুল ইসলাম লোনের সমস্ত টাকা পরিশোধ করার পর আমার চেক, জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবিসহ যাবতীয় কাগজপত্র উক্ত সংস্থায় জমা থাকে। পরে জানতে পারি আমাকে না জানিয়ে জামাকৃত চেকের বিপরীতে নুরুল ইসলাম তার শ্যালীকা সাখাওয়াত হোসেন সোহেলের স্ত্রী আরিফা আক্তার এর নামে পূর্বের জমাকৃত কাগজপত্র দ্বারা পূনরায় আরেকটি লোন গ্রহণ করেন, যাহার প্রকৃত জামিনদার আমি নই এবং আমার স্বাক্ষরও নেয় নাই, এমনকি আরিফা আক্তারকে আমি চিনি না। উক্ত লোনদানকারী টিএমএসএস এনজিওর কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা লোন গ্রহিতা আরিফা আক্তারকে লোন আদায়ে নোটিশ না দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালী আদালতে একটি ফৌজদারী মামলা দায়ের করে।

সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী যদি লোন গ্রহীতা মৃত্যুবরণ, নিরুদ্দেশ,পাগল হয় অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে খুঁজে না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে জামিনদার তাকে খুঁজে পেতে সাহায়তা করতে বাধ্য থাকবে। উক্ত সংস্থা উপরোক্ত কোন আইন অনুস্মরণ না করে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার ব্লাংক চেকটি ডিজ-অর্নার করে আমার নামে মামলা দায়ের করে, যা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে হয়েছে বলে আমি মনে করি।

তিনি আরো জানান, লোন গ্রহীতা আরিফা আক্তার নিজ সন্তানসহ পিতার গ্রামের বাড়ীতে অবস্থান করেন। প্রথম জামিনদার আরিফার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন সোহেল তার মা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে শহরের স্ট্যান্ড রোডে বসবাস করে। লোন গ্রহীতা আরিফার ও তার স্বামী প্রথম জামিনদার সোহেল শহরে থাকা সত্ত্বেও এনজিও কর্তৃপক্ষ কিভাবে তাদের নামে মামলা না করে ২য় জামিনদার আমার নামে মামলা দায়ের করে। আমি মনে করি, লোন গ্রহীতা ও প্রথম জামিনদারের যোগসাজসে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আমার সহজ সরলতার সুযোগ নিয়ে এবং ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে মামলাটি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোস্তফা কামাল আইন বিচার ও প্রশাসনের নিকট প্রতিকার প্রার্থনা করেছেন।

এব্যাপারে টিএমএসএস এনজিও কর্তৃপক্ষ জানান, “আমরা আইন অনুসারণ করে মামলা করেছি। লোন গ্রহীতা ও প্রথম জামিনদারকে খুজে না পেয়ে দ্বিতীয় জামিনদারের নামে মামলা দিতে বাধ্য হয়েছি।”